চাকরির খবর

এগিয়ে যাচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেঞ্জ মেকার

‘বদলে দিব নিজেকে,বদলে দিব পৃথিবী’ এই স্লোগান নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেঞ্জ মেকার যুব সংগঠনটি। ‘উন্নয়নের জন্য পরিবর্তন’- এমন স্বপ্ন নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেঞ্জ মেকারের পথচলা শুরু। বাংলাদেশই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের চেঞ্জ মেকাররা কাজ করে যাচ্ছেন জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য পূরণে।

ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেঞ্জ মেকারের প্রতিষ্ঠাতা জনাব সজীব খন্দকার তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা কাজ করছি সমাজে চলমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য। যুব সমাজই পারে বর্তমান সময়কে সুন্দর এবং ভবিষ্যৎকে সুনিশ্চিত করতে। তাই বিশ্বের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

সংগঠনটি মাত্র ১৫ জন সদস্য নিয়ে ২০১২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদের সহযোগীতা ও মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য আনুষ্ঠানিক ভাবে কাজ শুরু করেন। তারা সহযোগীতা, আশ্রয় প্রদান, দূর্যোগকালীন সহযোগীতা এবং জনসচেতনতার মতো উন্নয়নমূলক কাজে অংশ নেয়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক যুব দিবসে দেশের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারলিপি দিয়েছে ২০২২ সালকে ‘শিশু ও যুব’ বর্ষ ঘোষণা করার জন্য।

ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেঞ্জমেকারের সহ প্রতিষ্ঠাতা লাবিবা সুলতানা জানান, ‘বাংলাদেশের নারীরা খুব বেশি কাজ করার সুযোগ পায় না। আমি এমন একটি সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সবার যোগ্যতা মূল্যায়ন করা হবে। যাতে সবাই সমান ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে।

’সম্প্রতি সংগঠনটি দেশের ১৫টি জেলায় প্রায় বিশ হাজার মাস্ক বিতরণ করছে। অপরদিকে করোনা মহামারীর শুরু থেকে তারুণ্যের পদক্ষেপ নামে একটা ইভেন্টের মাধ্যমে হতদরিদ্রদের নিয়মিত খাবার বিতরণ করছে।

২০১৬ সালে বাংলাদেশে সেচ্ছাসেবী কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম শুরু করেন। বর্তমানে বাংলাদেশের ১৩টি জেলায় আলাদা আলাদা ভাবে টিম গঠনের মাধ্যমে কার্যক্রমপরিচালনা করছে ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ চেঞ্জ মেকার।

এছাড়াও বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশে প্রায় পাঁচশতাধিক সেচ্ছাসেবী রয়েছে তাদের। যারা নিজ নিজ জায়গা থেকে সমাজের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

সূত্র : ঢাকা পোস্ট

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button