ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াইয়ের অপেক্ষা বাড়ল

করোনার কারণে গেল বছর শুরুর আগেই পিছিয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব। সেটা কাটিয়ে গত বছরের দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে গড়িয়েছিল সেটি। তবে কোয়ারেন্টাইন বিষয়ক জটিলতায় কারণে আসছে আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতিতে আবারো স্থগিতাদেশের মুখে পড়েছে কনমেবলের বিশ্বকাপ বাছাই। ফলে লিওনেল মেসি আর নেইমারের মুখোমুখি লড়াইও পেছাল অন্তত তিন মাস।

দক্ষিণ আমেরিকার দশটি দলের আগামী ২৫-২৬ ও ৩০ মার্চ ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দুটো ম্যাচে মাঠে নামার কথা ছিল। করোনাভাইরাস পরিস্থিতি আর কোয়ারেন্টাইন বিধিনিষেধের কারণে দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল কনফেডারেশন তাদের সব ধরণের বিশ্বকাপ বাছাই স্থগিত করে দিয়েছে। গত শনিবার রাতে এক বিবৃতিতে আসে ঘোষণাটি।

ব্রাজিলে আবারো বাড়ছিল করোনা সংক্রমণ। এদিকে ইউরোপেও করোনা-পরিস্থিতি যাচ্ছিল অবনতির দিকে। এজন্যে শঙ্কা ছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। সে শঙ্কাই সত্যি হলো শেষতক।

পরবর্তী ম্যাচগুলো কবে হবে তা নিশ্চিত জানানো হয়নি তারা। তবে চলতি মার্চের পর অন্তত জুনের আগে আর কোনো আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতি নেই। ফলে অন্তত তিন মাসের জন্য পিছিয়ে গেছে মেসিদের বিশ্বকাপ বাছাই।

করোনায় সম্প্রতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলো। ইউরোপের দেশগুলো যে কারণে লাতিন আমেরিকা-ফেরত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে খুব বেশি সতর্ক। দেশে গেলেই মানতে হবে দশ দিনের কোয়ারেন্টাইন, যা থেকে ছাড় পাবেন না খেলোয়াড়রাও। এর ফলে ইউরোপীয় ক্লাবগুলো খেলোয়াড় ছাড়তে চাইছে না আদৌ।

বিকল্প ব্যবস্থাও আলোচনা করেছিল কনমেবল। ইউরোপে থাকা খেলোয়াড়দের ছাড়া চলতি বাছাইপর্বটা আয়োজনের কথা উঠে এসেছিল। তাতে আর্জেন্টিনা সমর্থন যোগালেও ব্রাজিল, কলম্বিয়া আর উরুগুয়ের মতো দল এতে অস্বীকৃতি জানায়, ফলে এ ধারণা ধোপে টেকেনি।

এছাড়াও ছিল আরো সমস্যা। করোনা-জর্জরিত ব্রাজিল থেকে যাত্রী ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে কলম্বিয়া। তাদের বিপক্ষেই আগামী ২৬ মার্চ মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল ব্রাজিলের। ফলে ইউরোপীয় তারকারা না এলেও স্থগিতাদেশের মুখে পড়ার শঙ্কা ছিল কনমেবল বিশ্বকাপ বাছাইয়ের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *