ক্রিকেটে থাকছে না আম্পায়ার্স কল!

আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এখন চাইলেই রিভিউ নিতে পারেন ক্রিকেটাররা। ওই সিদ্ধান্ত থার্ড আম্পায়ার দেখে ভুল নাকি সঠিক, সেই রায় দেন। তবে থার্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্তেও প্রভাব থাকে ‘আম্পায়ার্স কল’-এর। যা নিয়ে প্রায়ই ওঠে সমালোচনার ঝড়।

এবার ডিসিশন রিভিউ সিস্টেমে (ডিআরএস) ‘আম্পায়র্স কল’ না রাখার ব্যাপারে আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেটের শীর্ষ মহলে। এই ব্যাপারটি পর্যবেক্ষণ করছে মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব। তাদের দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মাইক গ্যাটিংয়ের নেতৃত্বে এমসিসির ক্রিকেট কমিটি ডিআরএস, শর্ট বল এবং সালাইভা ব্যানের নিয়ম বদল নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করব। বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে ক্রিকেটের এই নিয়মগুলি বদলের প্রয়োজন কিনা, তা নির্ধারণ করবে আইসিসি (ICC) ক্রিকেট কমিটি। ক্রিকেটে ব্যাট এবং বলের সামঞ্জস্য খুবই প্রয়োজন। তা বজায় রাখতে যা যা বদলের প্রয়োজন, সেটা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।’

এমসিসির বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, আগামী মার্চে গোটা বিশ্বের বিশেষজ্ঞদের মত নেওয়া হবে শর্ট বলের নিয়মে কী কী পরিবর্তন প্রয়োজন তা নিয়ে। ২০২২ সালের শুরুতেই এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে এমসিসি।

ডিআরএস (DRS) অর্থাৎ ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম নিয়ে বহুদিন ধরেই প্রশ্ন উঠছে। সম্প্রতি ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজে সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে। ডিআরএসে আম্পায়ার্স কলের যৌক্তিকতা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই এবার নিয়ম বদলের ইঙ্গিত দিল মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব।

শোনা যাচ্ছে, এমসিসি ‘আম্পায়ার্স কল’-এর নিয়মের পরিবর্তে অন্য কোনও পদ্ধতি চালু করার কথা ভাবছে। তবে, সেটাও হবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েই। এছাড়া আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে এমসিসি। সেটা হল, লালা লাগানোয় নিষেধাজ্ঞা।

করোনা পরিস্থিতিতে ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার কথা ভেবে বলে লালা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আইসিসি। যা পেসারদের জন্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এমসিসি মনে করছে এখনই লাল ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নাও হতে পারে। বরং, এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *