প্রোটিয়া ক্রিকেটারে ভর করে কিউইদের অস্ট্রেলিয়া-বধ

নিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৮৪/৫ (কনওয়ে ৯৯*, ফিলিপস ৩০, নিশাম ২৬; স্যামস ৪০-২, জাই রিচার্ডসন ৩১-২)
অস্ট্রেলিয়া: ১৭.৩ ওভারে ১৩১ (মার্শ ৪৫, অ্যাগার ২৩, জ্যাম্পা ১৩*; সাউদি ১০-২, বোল্ট ২২-২, সোধি ২৮-৪)
ফল: নিউজিল্যান্ড ৫৩ রানে জয়ী
সিরিজ: পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে নিউজিল্যান্ড

পাকিস্তানের বিপক্ষে যেখানে শেষ করেছিলেন, নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভুত ক্রিকেটার ডেভন কনওয়ে যেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজটা শুরু করেছেন সেখান থেকেই। তার অপরাজিত ৯৯-এ ভর করে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অজিদেরকে ৫৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ব্ল্যাকক্যাপরা।

অথচ শুরুটা কি তথৈবচই না হয়েছিল নিউজিল্যান্ডের! ১৯ রান তুলতেই মার্টিন গাপটিল, অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনসহ তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়েছিল দলটি। এরপরই সূচনা কনওয়ে-শো’র। গ্লেন ফিলিপসকে সঙ্গে নিয়ে ৮.২ ওভারে ৭৪ রানের জুটিতে শুরুর ধাক্কা সামাল দেয় স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড।

সঙ্গী ফিলিপসকে হারানোর পরই প্রলয়ঙ্করী রূপ নেন তিনি। প্রথম ৩৩ বলে যেখানে ৪৭ রান তুলেছিলেন, পরের ২৬ বলে তুলেছেন ৫২ রান। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম শতকটা পেতে পেতেও পাননি, থেমেছেন অপরাজিত ৯৯ রানে। তাতে নিউজিল্যান্ড পায় ১৮৪ রানের লড়াকু সংগ্রহ।

জবাবে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটাও ভালো হয়নি। ট্রেন্ট বোল্ট ও টিম সাউদির তোপে ১৯ তুলতেই হারায় ৪ উইকেট। বড় লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে এমন সূচনার পর আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি অজিরা। মিচেল মার্শ একটা চেষ্টা করেছিলেন বটে, তবে কাইল জেমিসনের বলে আউট হওয়ার আগে তার করা ৩৩ বলে ৪৫ রানের ইনিংসটি ব্যবধানই কমাতে পেরেছে কেবল। শেষে ইশ সোধির ৪ উইকেটে অস্ট্রেলিয়া থেমেছে লক্ষ্যের ৫৩ রান আগে, ১৩১ রানে।

কনওয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি শতকটা পাননি বটে, কিন্তু ম্যাচসেরার পুরস্কারটা উঠেছে তার হাতেই। গত নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অভিষেকের পর থেকে এ পর্যন্ত ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন পাঁচ ইনিংসে। যার চারটিতেই খেলেছেন চল্লিশোর্ধ্ব ইনিংস। গড়টাও ব্র্যাডম্যানীয়, পাঁচ ইনিংস শেষে তার গড় ৯১! শেষ দুই ইনিংসে দুটো ঝড়ো অর্ধশতক জানান দিচ্ছে, সিরিজের বাকি চার ম্যাচেও অজিদের বেশ ঝামেলাতেই রাখবেন দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত এই নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *