সাবেক মার্কিন বাস্কেটবল তারকার ইসলাম গ্রহণ

প্রাক্তন আমেরিকান পেশাদার বাস্কেটবল খেলোয়াড় স্টিফেন জ্যাকসন ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তিনি তার আগে ইসলামে দীক্ষিত অন্যান্য খেলোয়াড় ও ক্রীড়াবিদদের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন। আমেরিকাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাবাউট ইসলামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমনটা জানা গেছে।

ইসলামে অভিষেক হওয়া বিষয়ে ঘোষণা দিয়ে ইনস্টাগ্রামে তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। তাতে লিখেছেন- আলহামদুলিল্লাহ, টোনট্র্যাম্প! আমি প্রকাশ করতে পারছি না যে— আমি কীভাবে তোমার প্রশংসা করি ভাই। আজকের দিনটি ছিল আমার জীবনের অন্যতম সেরা দিন। যারা সবাইকে ভালোবাসে, তাদের জন্য ভালবাসা। মিদ আল-আনীক, আপনার সময় ও আপনি যে জ্ঞান আজ আমার কাছে বিতরণ করেছেন, সেটার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আজ ভাইদের সঙ্গে দেখা করে সম্মানবোধ করছি।

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি তিনি ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার ও তার শাহাদাত পাঠের একটি ভিডিও-ও পোস্ট করেছেন।

জাতীয় বাস্কেটবল বাস্কেটবল সংস্থায় (এনবিএ) নিউ জার্সি নেট, ইন্ডিয়ানা পেসার্স, গোল্ডেন স্টেট ওয়ারিয়র্স, মিলওয়াকি বকস, শার্লট ববক্যাটস, সান আন্তোনিও স্পারস এবং লস অ্যাঞ্জেলেস ক্লিপার্সের সঙ্গে চৌদ্দ বছর কাটান তিনি। এরপর ২০১৫ সালে অবসর নেন ৪২ বছর বয়সী এই অ্যাথলেট। ২০০৩ সালে স্পার্সের সঙ্গে একটি এনবিএ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিলেন তিনি।

জ্যাকসনের ঘোষণাকে তার অনেক ভক্ত স্বাগত জানিয়েছেন। একজন লিখেছেন- আমিও সম্প্রতি ইসলাম গ্রহণ করেছি। আমাদের এই নতুন যাত্রায় আল্লাহ আমাদের মুক্ত হৃদয় ও পরিষ্কার মন এবং হেদায়েত দান করুন। আলহামদুলিল্লাহ।

আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘আমার বাড়িতে স্বাগতম আমার ভাই। সত্যই আল্লাহ যাকে ইচ্ছা হেদায়েত করেন, আলহামদুলিল্লাহকে।

ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়ার পর জ্যাকসন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক অ্যাথলেটের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন।

২০২০ সালের নভেম্বরে, ডাচ বক্সার রুবি জেসিয়াহ মেসু অনুশীলনের পরে তার অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে ইসলাম গ্রহণ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, বহু বছর ধরে তিনি বিশ্বাস করেন এবং ইসলামে দীক্ষিত হন।

২০২০ সালের এপ্রিলে উইলহেলম ওট ঘোষণা করেছিলেন যে, তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছেন। ওট অস্ট্রিয়ার একজন পেশাদার এমএমএ (মিশ্র মার্শাল আর্ট) যোদ্ধা।

আগে ১৯৬৪ সালে এনবিএতে আসার আগে কিংবদন্তি আমেরিকান বাস্কেটবল খেলোয়াড় করিম আবদুল জব্বারও ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। স্টিফেন জ্যাকসন তারই পথ অনুসরণ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *