ন্যান্‌সির মামলায় জামিন পেয়ে আসিফ বললেন শুধু শুধু হয়রানি

সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্‌সির দায়ের করা মানহানির মামলায় ময়মনসিংহের আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর।

রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল হাই তার জামিন মঞ্জুর করেন।

আসিফ আকবরের আইনজীবী আহসান উল্লাহ আনার বলেন, জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি যে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন, তা আদালতে প্রমাণ করতে পেরেছি। আমাদের যুক্তি ও প্রমাণাদিতে সন্তুষ্ট হয়ে আসিফ আকবরকে স্থায়ী জামিন দিয়েছেন আদালত।

জামিন পাওয়ার পর সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর বলেন, এটি মিথ্যা মামলা। একটি চক্র এগুলো করছে। আমার বিরুদ্ধে যতগুলো মামলা হয়েছে, সবগুলোর এজাহারও একই ধরনের। ২০১৮ সালের ঘটনা তুলে ২০২০ সালে মামলা করা হয়েছে, শুধু শুধু আমাকে হয়রানির জন্য এ মামলা করা হয়েছে।

গত বছরের ১০ জুলাই ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানায় আসিফের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে মামলা করেন সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্‌সি।

মামলার এজাহারে ন্যান্‌সি উল্লেখ করেন, ‘আমি জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী। দীর্ঘদিন ধরে কণ্ঠজগতে গানের সঙ্গে জড়িয়ে সুনামের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করছি। আমার গাওয়া কিছু গান অনুমতিবিহীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে স্বত্ব বিক্রির বিষয়ে আপত্তি জানালে আমার প্রতি জেদ পোষণ করেন আসিফ আকবর। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মানহানিকর, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করে আসছেন তিনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুই বছর আগে বেসরকারি একটি টেলিভিশনে আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে ৬১৭টি গান প্রকৃত শিল্পীর অনুমতি ছাড়া গানের স্বত্ব বিক্রি করার অপরাধসহ জালিয়াতির সচিত্র প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। যার মধ্যে আমার ১২টি গান অন্তর্ভুক্ত ছিল। সেই প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ার পর আমি আমার ১২টি গানের স্বত্ব দাবি করলে আসিফের রোষানলে পড়ি। এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে আমাকে মিথ্যুক, মানসিক ভারসাম্যহীনসহ কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন, যা আমার জন্য মানহানিকর। সেজন্যই আমি আইনের দারস্থ হয়েছি। এ মামলার ভিত্তিতে ৩১ ডিসেম্বর বাংলা সংগীতের যুবরাজ আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *