খাপছাড়া বোলিংয়ে চাপ বাড়ছে বাংলাদেশের

ঢাকা টেস্টের প্রথম দিন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৫ ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দিয়ে কিছুটা স্বস্তিতেই ছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় দিন সকালে খাপছাড়া, নির্বিষ বোলিংয়ে সে স্বস্তি উবে গেছে। উল্টো কিছুটা চাপেই পড়ে গেছে মুমিনুল হকের দল।

সেশনের সফলতা বলতে এক এনক্রুমাহ বোনারের উইকেট। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে মোহাম্মদ মিঠুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি, শতকের ঠিক দশ রান আগে। তবে তার সঙ্গে দিন শুরু করা জশুয়া ডি সিলভা নিজেকে নিয়ে গেছেন ক্যারিয়ার-সেরা উচ্চতায়। অস্বস্তি-চাপের বড় যোগানটাও এসেছে তার কাছ থেকেই। ১৩৬ বলে ৭০ রানের ইনিংস নিয়ে অপরাজিত আছেন তিনি, সঙ্গে পাচ্ছেন আলজারি জোসেফের যোগ্য সাহচর্য্য।

বোনার সাজঘরে ফিরে যাওয়ার পর ৪৮ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। এর ফলেই দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে সফরকারীরা তুলেছে ১০২ রান, ওভার প্রতি প্রায় সাড়ে তিন গড়ে! নাঈম হাসান সিরিজের শুরু থেকেই ছন্দহীন। তার ব্যত্যয় ঘটছে না চলতি টেস্টেও। ওভার প্রতি শর্টবল, হাফট্র্যাকার আসছেই। ইনিংসের ১০১তম ওভারে তার করা একটা হাফট্র্যাকারই স্কয়ারলেগ দিয়ে সীমানাছাড়া করতে চেয়েছিলেন বোনার। ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে দাঁড়ানো নাজমুল হোসেন শান্ত সেটা ঠেকিয়েছেন বটে, তবে কাঁধে পেয়েছেন চোট। তার ম্যাচে খেলা নিয়ে শঙ্কা কতদূর, তা এখনো জানা যায়নি।

নাঈমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তাইজুলও বেশ বিবর্ণ ছিলেন এদিন। প্রথম সেশনে বোলিং যা আঁটসাঁট ছিল মিরাজ আর রাহির। তাতেই রানের গতি আটকেছে কিছুটা। তবে দিনের শুরুতে এমন বোলিংয়ে উইন্ডিজকে অল্প রানে বেঁধে রাখার সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে। প্রতিপক্ষের ৪০০ ছাড়ানো সংগ্রহের শঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। সেটা হয়ে গেলে যে জয়ের সম্ভাবনাও ফিকে হয়ে আসবে অনেকটা, তা বলাই বাহুল্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *