জায়েদ-সৌম্যর বোলিংয়ের পর আক্ষেপও কি সঙ্গী?

বাংলাদেশ টিম ম্যানেজম্যান্ট কি এখন আফসোসে পুড়ছে? চাইলে পুড়তেই পারে। কাইল মেয়ার্সকে যেভাবে সুইং করিয়ে আউট করলেন আবু জায়েদ রাহী, সৌম্য যেভাবে সাজঘরে ফেরালেন ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটকে। তাতে আক্ষেপ হওয়াটাই তো স্বাভাবিক।

রক্ষণাত্মক মনোভাব অথবা নিজেদের শক্তিমত্তা, যে কারণ দেখিয়েই দলে নেওয়া হোক তিন স্পিনার, একাদশে রাখা হোক এক পেসার। সেটার যৌক্তিকতা আদতে মাঠে মিলছে না, ঢাকা টেস্টের প্রথম দুই সেশনে অন্তত মিলেনি। আগের টেস্টেও না।

নির্বিষ বোলিংয়ের পর হতাশার প্রথম সেশন কাটিয়েছিল বাংলাদেশ। উইন্ডিজরা হারিয়েছিল মাত্র এক উইকেট, তুলেছিল ৮৫ রান। দ্বিতীয় সেশনে এসে বাংলাদেশ ভালো অবস্থানে কিছুটা। এবং সেটা পেসারদের কল্যাণেই। তাতে আরও একবার একাদশ নিয়ে প্রশ্নটা উঠছে।

এই সেশনে উইন্ডিজদের যে তিন উইকেট গিয়েছে তার দুইটিই নিয়েছেন পার্ট টাইমার সৌম্য ও একমাত্র পেসার আবু জায়েদ রাহী। দুর্দান্ত বোলিং করেছেন দুইজনই। সুইং পেয়েছেন অথবা আদায় করেছেন উইকেট থেকে।

দ্বিতীয় সেশনে প্রথম আঘাত হানেন রাহী। মোসলেকে আবু জায়েদের বলে, ইন সাইড অ্যাজ হয়ে। এই সেশনের শেষ উইকেটও তার। আগের ম্যাচে ডাবল সেঞ্চুরি করা মেয়ার্সকে ৫ রানে পথ দেখিয়েছেন সাজঘরের, দারুণ এক আউটসুইঙ্গারে।

বাকি যে এক উইকেট সেটা সৌম্যর দখলে। যাকে প্রথম সেশনে ব্যবহারই করাননি অধিনায়ক মুমিনুল। ক্রিজে জমে যাওয়া ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট ৪৭ রানে আউট হয়েছেন তার বলে। এরপর আরও এক জুটি অবশ্য গড়ে উঠছে উইন্ডিজদের। এনক্রুমাহ বোনার ৬৮ বলে ৩০ ও জার্মেইন ব্ল্যাকউড অপরাজিত আছেন ৩৫ বলে ১৮ রানে।