তিউনিসিয়ার সেরা ৮ দর্শনীয় স্থান

আফ্রিকা মহাদেশের পর্যটনসমৃদ্ধ দেশ তিউনিসিয়া। ফিনিশীয় গ্রিকদের দ্বারা এই শহরে বসতি গড়ে ওঠে। উত্তর আফ্রিকার ছোট দেশ এটি। তিউনিসিয়ায় অসংখ্য দর্শনীয় স্থান অবস্থিত। তিউনিসিয়ার সেরা ১০ দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে আজ আপনাদের জানাবো।

১. ইআই জেম

তিউনিসিয়ার প্রাচীন শহর ইআই জেম। শহরটি জাতিসংঘের ইউনেস্কোর তালিকাভুক্ত রয়েছে। এই শহরে অসংখ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে। প্রত্নতত্ত্বের টানে পর্যটকরা শহরটিতে ভ্রমণ করেন।

২. হমট সউক

হমট সউক শহরে বুর্জ আল কবির দুর্গ রয়েছে। এছাড়া রয়েছে নানা ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা। ইতিহাসসচেতন ও সংস্কৃতিবান মানুষ এই শহরে ভ্রমণ করেন। এছাড়া শহরটি বিশ্বের সব বয়সের মানুষের কাছে অনেক পছন্দের।

৩. সউস

সমুদ্র তীরবর্তী সউস শহরে ২০১৫ সালে ভয়াবহ এক হামলার কারণে কিছুটা হলে সৌন্দর্য হারিয়েছে। সমুদ্রসৈকত ছাড়াও শহরটিতে রয়েছে আঘলাবিটে গ্রেট মসজিদ। সউস শহর তুরস্কের অটোমান সুলতানদের দ্বারা শাসিত হয়েছে।

৪. সিদি বোউসাদ

তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিস থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সিদি বোউসাদ শহর এক সময় গ্রিকদের দ্বারা শাসিত হয়েছে। শহরটিতে বহু দর্শনীয় স্থান রয়েছে।

৫. তোজেউর

আফ্রিকার সাহারা মরুভূমি অঞ্চলে তোজেউর শহর অবস্থিত। রেস্তোরাঁ, মসজিদসহ আরও অনেক দর্শনীয় স্থানে পরিপূর্ণ তোজেউর শহর। শিশু, কিশোর, তরুণ, বৃদ্ধ সবাইকে এই শহরে ভ্রমণ করতে দেখা যায়।

৬. তিউনিস

তিউনিস তিউনিসিয়ার রাজধানী। তিউনিস শহরে বাব এল ভার বা পোর্ট দে ফ্রান্স বা ফ্রান্স বন্দর রয়েছে। মনোমুগ্ধকর এই শহরের দুটো দিক রয়েছে ফ্রেঞ্চ ও মাগরেব। শহরটি এক সময় ফ্রান্স কর্তৃক শাসিত হয়েছে। শহরটিতে গথিক খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের অনেকগুলো গীর্জা, কফিশপ রয়েছে।

৭. কায়রোউয়ান

দেড় হাজার বছরের ইতিহাস রয়েছে কায়রোউয়ান শহরের। মূল আকর্ষণ মরুর পাহাড়। সপ্তম শতক থেকে এখানে মুসলিম সভ্যতার বিকাশ শুরু হয়। শহরটিতে রয়েছে গ্রেট মসজিদ রয়েছে যা জাতিসংঘের ইউনেস্কোর তালিকাভুক্ত একটি জায়গা।

৮. মোনাস্টির

মোনাস্টির শহরে অনেক উঁচু দুর্গ রয়েছে। এসব দুর্গ থেকে তিউসিয়ার অন্যান্য জায়গা দেখা যায়। এই অঞ্চলে রয়েছে অসংখ্য মুসলিম স্থাপত্যের নিদর্শন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *