ঘুরে আসুন স্পেন: সেরা ১০ জায়গা

ইউরোপের ঐতিহ্যবাহী দেশ স্পেন। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক এই স্পেনের অনেকগুলো বৈচিত্র্যময় দর্শনীয় স্থান রয়েছে। মানুষের কাছে এসব দর্শনীয় স্থান অনেক পছন্দের। আজ আপনাদের বলবো স্পেনের ১০ দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে। আসুন জানা যাক-

১. মেরিদা

২৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমান সাম্রাজ্যের অংশ ছিলো মেরিদা। ইবারিয়ান দ্বীপে অবস্থিত এই স্থানে রয়েছে অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা। যেসব পর্যটক ইতিহাস জানতে আগ্রহী সেসব পর্যটকদে মেরিদায় আসতে দেখা যায়। এখানে অসংখ্য রোমান থিয়েটার রয়েছে।

২. বিলবাও

স্পেনের অন্যতম বড় শহর বাস্কে অবস্থিত বিলবাও। এটি স্পেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরস্থাপনা। এখানে গুগেইনহেম মিউজিয়াম রয়েছে। মিউজিয়ামটির কারণে দর্শনার্থীরা বিলবাওয়ে এসে থাকেন। এই মিউজিয়াম মনোমুগ্ধকর স্থাপত্য দ্বারা নির্মিত। এছাড়া খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা চতুর্দশ শতাব্দিতে নির্মিত সান্তিয়াগো গথিক ক্যাথেড্রাল নামে একটি গীর্জায় এসে থাকেন।

৩. সালামানকা

এটি স্পেনের রাজধানী এবং অন্যতম বড় শহর। টর্মস নদীর তীরে এই শহর অবস্থিত। প্রাচীন স্থাপত্যে নির্মিত সালামানকা শহরের স্থাপনা। এখানে অনেক সুশোভিত গীর্জা রয়েছে। ক্যাফেতে আড্ডা দেয়ার জন্য পর্যটকরা এসে থাকেন। শহরটি মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

৪. কুয়েনকা

স্পেনের অন্যতম জনপ্রিয় শহর কুয়েনকা। শহরটিতে অসংখ্য গীর্জা রয়েছে। মুসলমান ও খ্রিস্টানদের দ্বারা এই শহর শাসিত হয়েছে। বিশ্বের মানুষ এই শহরের সঙ্গে পরিচিত। এই শহরে রয়েছে অসংখ্য অভিজাত ভবন।

৫. ইবিজা

ব্যালিয়ারিক দ্বীপের বড় শহরগুলোর মধ্যে এই শহর তৃতীয়। শহরের নাম ইবিজা। স্পেনের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত এটি। পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে থাকে এখানকার অসংখ্য সামার ক্লাব। এখানে অসংখ্য সমুদ্রসৈকত রয়েছে।

৬. সেগোভিয়া

এরিসমা নদীর তীরে অবস্থিত সেগোভিয়া শহর স্পেনের জনপ্রিয় একটি শহর। শহরটি পর্যটকদের কাছে খুব পছন্দের। সেগোভিয়া শহরে বহু ঐতিহাসিক স্থাপনা রয়েছে। ১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমানরা শহরটি গড়ে তোলে। এখানে গথিক খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের অসংখ্য গীর্জা রয়েছে।

৭. রনডা

স্পেনের দক্ষিণে অবস্থিত রনডা শহর দর্শনার্থীদের কাছে পরিচিত নাম। এই শহরে উল্লেখযোগ্য একটি স্থান হলো ইআই মার্কেডিলো থেকে ইআই কিউদাদ পর্যন্ত বড় একটি সেতু রয়েছে। এছাড়া এখানে বহু ঐতিহাসিক স্থাপনা রয়েছে।

৮. সান্তিয়াগো দে কমপোসটেলা

স্পেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য গ্লাসিয়ার রাজধানী সান্তিয়াগো দে কমপোসটেলা মানুষের কাছে খুব পছন্দের একটি জায়গা। এই শহরে অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা রয়েছে। রয়েছে অসংখ্য সুশোভিত গীর্জা।

৯. টলেডো

ষোড়শ শতাব্দিতে টলেডো শহর নির্মিত হয়। শহরটি জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান। তিন ধর্মের মানুষের থাকার কারণে এই শহরে ইহুদিদের উপাসনালয় সিনেগগ, খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় গীর্জা এবং মুসলমানদের উপাসনালয় মসজিদ রয়েছে। সুশোভিত গীর্জা ও সিনেগগ দেখার জন্য বহু পর্যটক এখানে এসে থাকেন।

১০. কর্ডোভা

আন্দালুসিয়ার রাজত্ব সম্পর্কে প্রায় সবাই পরিচিত। স্পেনে এক সময় কর্ডোভা নগরীকে ঘিরে আন্দালুসিয়ার শাসন ছিলো। এদিক থেকে কর্ডোভা ইউরোপের সবচেয়ে প্রাচীন শহর হিসেবে পরিচিত। এখানে অসংখ্য গীর্জা রয়েছে। পর্যটকদের কাছে এটি অত্যন্ত পছন্দের ও আগ্রহের জায়গা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *