ফ্লাইট বুকিংয়ে খেয়াল রাখবেন যে ৪ বিষয়

প্রয়োজনে কিংবা শখের বশে বিমান ভ্রমণ করে থাকেন অনেকেই। অল্প সময়ে অধিক দূরত্ব পাড়ি দেয়া যায় বলে বিমান ভ্রমণ বেশ জনপ্রিয়। তবে ফ্লাইট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে কোন কাজগুলো করতে হবে তা অনেকেই জানেন না। ফ্লাইট টিকেট বুকিংয়ের জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লে এই লেখাটি আপনার জন্য। যা আপনাকে ফ্লাইট বুকিংয়ে সাহায্য করবে। ফ্লাইট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে চারটি করণীয় সম্পর্কে চলুন জেনে আসা যাক:

১. তারিখ নির্বাচন

ফ্লাইট টিকেট বুকিংয়ের জন্য তারিখ নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনাকে ফ্লাইটে উঠতে সাহায্য করবে। বিমানে পরিবহনের ক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহ আগে থেকে ফ্লাইটের তারিখ নির্বাচন করা ভ্রমণের পক্ষে ভালো।

২. অনেকগুলো রুট

আপনার সময় যদি সীমিত হয়ে থাকে তাহলে এক ফ্লাইটে অনেক জায়গা সম্পর্কে পরিচিত হওয়ার জন্য এমন একটি ফ্লাইট বুকিং করুন যে ফ্লাইট অনেকগুলো রুটে থামবে। এতে আপনি যাত্রাবিরতিতে সেসব জায়গায় ঘুরতে পারবেন।

৩. নিরাপদ রাখুন ব্রাউজার

আপনি আপনার ব্রাউজার থেকে ফ্লাইট সার্চ করার পর সঙ্গে সঙ্গে মুছে ফেলুন। কারণ সেটি রেকর্ড করে রাখছে বিমান কর্তৃপক্ষ। তাই আপনার ব্রাউজার নিরাপদ রাখা আপনার দায়িত্ব।

৪. দেখে নিন ক্রেডিট কার্ডসহ প্রয়োজনীয় জিনিস

অর্থ সাশ্রয়ের জন্য ক্রেডিট কার্ডসহ বিমানের ফ্লাইট সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় জিনিস দেখে রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে ডিসকাউন্ট থাকলে তো কথাই নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *